মৃত্যুদন্ড মানব সৃষ্ট এক নিষ্ঠুর- অমানবিক ও অধঃপতিত শাস্তি, যে কোনো অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হতে পারে না-
আন্তর্জাতিক ‘মৃত্যুদন্ড বিরোধী দিবসের মানববন্ধনে বিশিষ্ট আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট এম এন মোস্তফা নুর প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, অপরাধি সৃষ্টির জন্যে আর্থ-সামাজিক বৈষম্য দায়ী। বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র ও সমাজ চাই। মৃত্যু একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। জন্ম নিলে মরতে হবেই। কিন্তু মৃত্যুদন্ড মানব সৃষ্ট এক নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অধঃপতিত শাস্তি। তথাপি মৃত্যুদন্ডাদেশ মানবাধিকার লঙ্ঘন। বর্তমান বিশ্বের অর্ধশতকেরও বেশি রাষ্ট্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। রাষ্ট্র কর্তৃক সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান হিসেবে মৃত্যুদন্ডাদেশের আইন বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই বিরাজমান। ১৯৪৮ সালে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পর মাত্র ৮টি দেশ অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদন্ডের বিধানকে বাতিল করা হয়। এখন ৫৫ টি রাষ্ট্রের মৃত্যুদন্ড রহিত করা আইন করেছে, মৃত্যুদন্ড আইন থাকার পরও এই আইনটি চর্চা করছেন না।
এশিয়ার কিছু দূর্বল ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্র এখনো মৃত্যুদণ্ড চর্চা করে আসছে যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
১০ অক্টোবর বিকেলে চট্টগ্রাম কোর্ট হিল চত্বরে বাংলাদেশ পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি-চট্টগ্রাম আয়োজিত, মানবাধিকারকর্মী ওচমান জাহাঙ্গীর এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্ট অব হিউম্যান রাইটস্ বাংলাদেশ এর মহাসচিব আবদুল্লাহ মজুমদার।
মানববন্ধনে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্যে রাখেন সাংবাদিক মুজিবুর রহমান, নুরুজ্জামান খোকন,মোহাম্মদ আবু জাফর, এডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম, এডভোকেট মোঃ মহসিন, এড হাসিনা বেগম, এড জান্নাতুল ফেরদৌস, মোঃ আলী, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মোবারক হোসেন প্রমুখ।




